পাটের ব্যবহার

পাট পরিবেশ বান্ধব,বহুমুখী ব্যবহার যোগ্য আঁশ । শিল্প বিপ্লবের সময় ফ্লাক্স এবং হেম্প এর স্থান দখল করে পাটের যাত্রা শুরু। বস্তা তৈরির ক্ষেত্রে পাট এখনও গুরুত্বপূর্ণ। পাটের আঁশের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অন্য অনেক আঁশের সঙ্গে মিশ্রণ করে ব্যবহার করা যায়। টেক্সটাইলঃ প্রচলিত বয়ন শিল্পে পাটের উল্লেখযোগ্য ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে সুতা, পাকানো সুতা, বস্তা, চট, কার্পেট ব্যাকিং ইত্যাদি। পর্দার কাপড়, কুশন কভার, কার্পেট, ইত্যাদি পাট থেকে তৈরি হয়। গরম কাপড় তৈরীর জন্য উলের সঙ্গে মিশ্রণ করা হয়। মোড়কঃ কৃষি পণ্য এবং অন্যান্য দ্রব্যাদি বস্তাবন্দি ও প্যাকিং করার জন্য ব্যাপকভাবে পাট ব্যবহার করা হয়। পাট খড়ি পাট চাষের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ। পাট আঁশের দ্বিগুণ পরিমাণ খড়ি উৎপাদিত হয়। ঘরের বেড়া, ছাউনী এবং জ্বালানী হিসাবে খড়ির ব্যবহার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। উপজাতঃ পাটের আঁশের বহুমুখী ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে প্রসাধনী, ওষুধ, রং ইত্যাদি। পাট খড়ি জ্বালানী, ঘরের বেড়া, ঘরের চালের ছাউনীতে ব্যবহার হয়। বাঁশ এবং কাঠের বিকল্প হিসাবে পার্টিকেল বোর্ড, কাগজের মন্ড ও কাগজ তৈরিতেও পাট খড়ি ব্যবহৃত হয়।সম্প্রতি পাট থেকে জুট পলিমার তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন ড.মোবারক আহমেদ খান যা "সোনালি ব্যাগ" নামেও পরিচিত। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় পাটের কচি পাতাকে শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয়। চট্টগ্রামে অঞ্চলে এটি " নারিস শাক " হিসেবে পরিচিত।

পাটের
পাট চাষ

বায়ুর ৭০-৯০% আপেক্ষিক আর্দ্রতায়, চৈত্র-বৈশাখ মাসের প্রাক বর্ষায় পাট বীজ বোনা হয়

বিস্তারিত পড়ুন ...
পাটের
পাটের ব্যবহার

পাট তিন পর্যায়ে বাজার জাত করা হয়। প্রথম পর্যায়ে ছোট ছোট বাজারে প্রাক বর্ষায়

বিস্তারিত পড়ুন ...
পাটের
ব্লগ

বায়ুর ৭০-৯০% আপেক্ষিক আর্দ্রতায়, চৈত্র-বৈশাখ মাসের প্রাক বর্ষায় পাট বীজ বোনা হয়

বিস্তারিত পড়ুন ...
বার্তা

মোহাম্মদ আতাউর রহমান

মহাপরিচালক

বার্তা
তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে সময়ের সাথে সমৃদ্ধ আগামীর পথে পা মিলিয়ে চলার বিকল্প নেই। পাট অধিদপ্তর নিজস্ব ওয়েবসাইট নিয়ে তথ্য প্রযুক্তির সমৃদ্ধ সময়ের মিছিলে সামিল হল। সর্বস্তরের সম্মানিত সেবা গ্রহিতা এবং আমাদের এ ওয়েবসাইটের ভিজিটর প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাই। একই সাথে পাট অধিদপ্তরের সার্বিক কর্মকান্ড সম্পর্কে জনস্বার্থে পরামর্শ প্রদানের জন্য অনুরোধ জ্ঞাপন করছি। আশা করি সকলের সহযোগিতায় অতীতের মতো ‘সোনালী আঁশ’ খ্যাত পাটের ঐতিহ্য আবার আমরা অর্জন করতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ্। প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করা, সুশাসন সংহতকরণ এবং সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ এবং আলোকিত উন্নত জাতিগঠন-ই হোক আমাদের দীপ্ত শপথ ও বলিষ্ঠ অঙ্গীকার। জয়ী-স্বপ্নেরা হোক সমৃদ্ধকালের সাক্ষী। পাট খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন বৃদ্ধিসহ অর্থনীতিতে অধিকতর অবদান রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।

অফিসের ঠিকানা
পাট অধিদপ্তর
৯৯, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন : ০২-৯৫৬১৫৪৬
ফ্যাক্স : ০২-৯৫৬৯৮২৪
ই-মেইল : dgjute@gmail.com
ওয়েবসাইট: dgjute.gov.bd